ভালোবাসার বুদ্ধদেব : বর্ণিকে বুদ্ধদেব স্মরণ
ভালোবাসার বুদ্ধদেব : বর্ণিকে বুদ্ধদেব স্মরণ
সোমা মাকুড় (গবেষক, মেদিনীপুর কলেজ)
"মানুষের জীবনে বোধহয় অনেক ই ধরে, অনেক আঁটে, আনন্দ, দুঃখ, উৎসব, শোক, মহত্ব, নীচতা, সব সব।" -কোজাগরী’তে বুদ্ধদেব গুহ লিখেছেন।
বর্ণিক দ্বিতীয় বর্ষের নবম সংখ্যা বুদ্ধদেব গুহকে নিয়ে নানান রঙে সেজে উঠেছে।
সাহিত্যিক সৌম্য ঘোষ তার "মাধুকরীর ঋজুদা " লিখতে গিয়ে অসাধারণ ভাবে বলেছেন - " তার রচনা পড়েই সদ্য গোঁফের রেখা ওঠা কিশোর বয়সন্ধিকে পেরিয়ে, যুবক হওয়ার প্রথম পাঠ নিয়েছে।" -তিনি ভালোবাসার কাঙাল বুদ্ধদেব এর কথা বলেছেন।
সুমন গোস্বামীর "লালা দাকে লেখা শেষ চিঠি" তে আমরা জানা অজানার বুদ্ধদেবকে খুঁজে পাই। “যদি কুড়চি হতাম " এ লেখিকা অজন্তা রায় আচার্য যে চিঠি খানা লিখেছেন কোথাও মনে হয় হয়তবা বুদ্ধদেব গুহ পড়ছি।
ভালোবাসা কি ও কেমন, ভালোবাসা মানুষকে পুড়িয়ে ফেলে আবার নতুন প্রাণ দেয় , প্রকৃত ভালোবাসা দুঃখ ভোলার গান শোনায় , না থেকেও মানুষ অনেকটা জুড়ে থাকে, তা এ লেখা বুঝিয়ে দেয়।
সম্পাদক একবুক অরণ্যের একাকীত্বকে এঁকেছেন একবুক ভালোবাসা দিয়ে।
যেখানে প্রিয় লালাদার এক পৌরুষ দীপ্ত ছবি এঁকেছেন।
বুদ্ধদেব গুহকে নিয়ে লেখনী গুলোতে চলচিত্র রুপায়ানের প্রসঙ্গ এসেছে বিভিন্ন লেখকের রচনায়।
"অন্তরঙ্গ বুদ্ধদেব গুহ" র প্রসঙ্গ এসেছে।
সব মিলিয়ে এবারের বর্ণিক এক অন্য রূপ পেয়েছে। বর্ণিক পড়ে চোখ ভিজে যায় জলে, আর মন বলে ভালোবাসি ভালোবাসি।
সত্যি বর্ণিকে'র এই সংখ্যাটিতে যেমন ভালোবাসার কথা আছে, ঠিক তেমনি বর্ণিক ভালোবাসতেও শিখিয়েছে...
ReplyDeleteধন্যবাদ আপনাকে ❤
Delete